মিলল নানান ভিন্ন রকম তথ্য- ওয়েস্টার্ন ড্রেসে ডিজে নেহার রঙিন জগৎ, প্রকাশ্যে তার আসল পরিচয়

সম্প্রতি রাজধানী ঢাকা শহরের একটি রেস্টুরেন্টে কয়েকজন বন্ধু মিলে অবৈধ জিনিস পা’’ন করতে যায়। এরপর সেই অবৈধ জিনিস পা’’ন করার পর এক শিক্ষার্থী বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েন।

ওই শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার পর তাকে বাসায় নেওয়া হয় এবং তার শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে ওই শিক্ষার্থী আর সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।

এদিকে, অভিযোগ ওঠে এই ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন নেহা নামের এক নারী। এই নারীকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাকে গ্রেফতার করার পর থেকে তার সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য উঠে এসেছে।

নাম তার ফারজানা জামান নেহা ওরফে ডিজে নেহা। এই সুন্দরী রমণী কুইন নেহা নামেও তার চ/ক্রে পরিচিত। রাতে তার পরনে থাকে প্রায় অ//র্ধ উ//ল//ঙ্গ ওয়েস্টার্ন ড্রেস। চালচলনে বি//কৃ//ত রকমের আভিজাত্যের ছাপ। দিনে ঘুম, রাতে ডিজে ও অবৈধ জিনিসের পার্টিতে অ//শ্লী//ল রকমের নাচ। লাল-নীল আলো আঁধারে ঠোঁটে শি//শা//র পা//ই//প দিয়ে স্লো মোশনে ধোঁ//য়া ছাড়া যার নে//শা। কখনওবা হাতে দামি বিদেশি ম///দে///র বোতল নিয়ে চু/মো দেয়া তার ফ্যাশন। নামি-দামি ব্রান্ডের গাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়ানো এই রমণী বাগে আনা ধনী পরিবারের তরুণ-তরুণীদের দিয়ে করান রমরমা দে//হ ব্যবসা। এক কথায় ওয়েস্টার্ণ ধাঁচে চলাফেরা করা রূপের ঝলক দেখানো ডিজে নেহা নানান কু//ক//র্ম ও অ//শ্লী//ল//তা//র মধ্যেই ডুবে ছিলো।

সম্প্রতি রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সাথে অ’নৈধিক কাজ ও হ///ত্যা///র ঘটনায় করা মোহাম্মদপুর থানায় দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি ডিজে নেহা। এই মামলাটি ত/দন্তের স্বার্থে এই নেহাকে ৫ দিনের রি//মা//ন্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে একে একে গা শিউরে ওঠার মতো তথ্য বেরিয়ে আসছে। জানা যাচ্ছে, তার অন্ধকার জগতের যতো অ/পকর্মের গো/প/ন খবর। তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, কেবল ডিজে নেহা নয় নেহার মতো এমন অনেক তরুণ-তরুণীই রয়েছে যাদের কর্মকাণ্ড একই রকমের, কেবল নামেই ভিন্ন।বাবা-মায়ের দ্ব/ন্দ্বে নেহা বিপথে:নেহার বাবা একজন মাঝারি স্তরের ব্যবসায়ী। থাকেন রাজধানীর আজিমপুরে। তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুরান ঢাকায়। অন্যদিকে নেহার মা থাকেন মিরপুরে। দীর্ঘদিন যাবত এই বাবা-মায়ের মধ্যে দ্ব/ন্দ্ব চলে আসছে। একরকম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যে বেড়ে উঠে নেহা। পড়াশোনার দৌঁড়ও বেশি দূর নয়, স্কুলের গন্ডিতেই তার সমাপ্তি ঘটে। মেধাবী হলেও পরিস্থিতির কারণে পড়াশোনায় এগুতে পারেনি সে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নেহা বিপথে যাওয়ার নেপথ্যে তার বাবা-মায়ের দ্ব//ন্দ্ব ও দূরত্ব উল্লেখযোগ্য।

স্বামী তারলন্ডনে:প্রাথমিকভাবে জানা যায়, কয়েক বছর আগে লন্ডন প্রবাসী এক ব্যক্তির সঙ্গে নেহার বিয়ে হয়। ওই প্রবাসী লন্ডনে গিয়ে নেহাকেও তার কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু, নানান অজুহাতে নেহা সেখানে যেতে পারছিলেন না। লন্ডনে যাওয়ার জন্য বেশ কয়েকবার চেষ্টাও নাকি করেছিলেন। তবে, নেহার বিয়ের বিষয়ে পুলিশ সন্দিহান।ফেসবুকসহ অনলাইন মাধ্যমে ফাঁ//দ:ডিজে নেহা তার সঙ্গীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে ব্যাতৎপরতা চালাতো। এই তৎপরতায় ধনী পরিবারের কোনো তরুণ-তরুণী ফাঁ//দে পড়লেই কূটকৌশল খাটিয়ে তাকে অ//শ্লী//ল//তা//য় জড়িয়ে ফেলা হতো।

নেহার টার্গেট ধনী পরিবারের তরুণ-তরুণী:নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে অ//শ্লী//ল জগতে পা বাড়ানো নেহার টার্গেট ছিলো ধনী পরিবারের তরুণ-তরুণীরা। বিশেষ করে নামি দামি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দিকেই ছিলো তার বিশেষ আকর্ষণ। টার্গেটকৃতদের সঙ্গে সখ্যতা তৈরিতে তার হয়ে একাধিক উশৃঙ্খল তরুণ-তরুণী মাঠ পর্যায়ে কাজ করতো। যাদেরকেও বিভিন্ন রকমের সুযোগ সুবিধা দিতো ডিজে নেহা। শি//শা পার্টি, ম///দ পার্টি এবং অ//শ্লী//ল নাচের আয়োজনে দাওয়াত পেত সমাজের উচ্চ বিত্তের সন্তানরা। যারা নেহার হাত ধরেই বে//লা//ল্লা//প//না//য় জড়িয়ে পড়ে।এদিকে, এই নেহার সম্পর্কে আরও অনেক তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। তিনি বিভিন্ন পার্টিতে যেতেন। আর এই সকল পার্টিতে যাওয়ার পর সেখানে ধনী ছেলেদের টার্গেট করতেন। এই সকল ধনী ছেলেদের কাছ থেকে তিনি বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিতেন। এমনকি তিনি ধনী ছেলেদের অবৈধ কাজ করার জন্য সুন্দরী তরুণী খুঁজে দিতেন। তবে গত কয়েকদিন আগে রাজধানী ঢাকা শহরে শিক্ষার্থীর সাথে যে ঘটনা ঘটেছে তার পরই তার নাম প্রকাশ্যে আসে। এই নেহাকে বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *