ফের রেকর্ড পরিমাণে কমেছে স্বর্ণের মূল্য দেখেনিন সর্বশেষ বাজার মুল্য

গেল বছরে গোটা বিশ্বে করোনা পরিস্থিতির কারনে বিশ্ববাজারে সোনার দর ছিল ওঠানামার মধ্যে। গত মার্চের দিকে সোনা ও রূপার দর বেশ কিছুটা উর্ধ্বগতি থাকলেও ধীরে ধীরে সেটা কিছুটা কমেছিল। কিন্তু গোটা বিশ্বের অর্থনীতির অবস্থা যখন পড়তির দিকে থাকার কারনে আবারও বাড়তে থাকে সোনার দর।

অন্যদিকে গোটা বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী অর্থনৈতিক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অস্থিরতা দেখা গিয়েছিল সোনার বাজারে। লগ্নিকারকরা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কিছুটা হেরফের করেছিলেন সোনার ক্ষেত্রে।

মহামারি করোনায় বিপর্যস্ত পরিস্থিতির মধ্যে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবার বাড়ছে। সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম হবে প্রায় ৮০ হাজার টাকা। চলতি মাসের মধ্যেই নতুন এই দাম চূড়ান্ত হতে পারে। ইতোমধ্যেই মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট), মজুরিসহ স্বর্ণালংকারের দাম নির্ধারণের বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

গত বুধবার বাজুসের সভাপতি এনামুল হক খানের সভাপতিত্বে রাজধানীর একটি কনভেনশন হলে একটি সাধারণ সভা বসে। সভায় সমিতির কেন্দ্রীয় ও জেলা কমিটির নেতা এবং সাধারণ জুয়েলার্স ব্যবসায়ীরা অংশ নেন। সভা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ওই সভার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে লাগে ৭২ হাজার ৬৬৬ টাকা। সে হিসাবে প্রতি গ্রামের দাম পড়ে ৬ হাজার ২৩০ টাকা। তার সঙ্গে ২৫০ টাকা মজুরি। এ নিয়ে প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম পড়ে ৬ হাজার ৪৮০ টাকা। আবার এই দামের ওপর ৫% ভ্যাট ধরলে প্রতি গ্রামের স্বর্ণের দাম ৬ হাজার ৮০৪ টাকা দাঁড়াবে। সব যোগ হয়ে এক ভরি স্বর্ণালংকারের দাম পৌঁছবে ৭৯ হাজার ৩৬১ টাকায়।

গত ১২ জানুয়ারি দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়। ২২, ২১ ও ১৮- এই তিন মানের (ক্যারেট) স্বর্ণের দাম ভরিতে প্রায় ১৯৮৩ টাকা কমানো হয়। এর আগে গত ৫ জানুয়ারি এই মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে ১৯৮৩ টাকা বাড়ানো হয়েছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *