ইউপি নির্বাচন: প্রথম ধাপে বিনা ভোটে জয় পাচ্ছেন যারা

প্রথম ধাপের ৩৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ৩১ জন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় লাভ করছেন। এখন কেবল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়ার বাকি।

রোববার (২১ মার্চ) রাতে এমন তথ্য জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব (জনসংযোগ) এসএম আসাদুজ্জামান।

মাঠ পর্যায় থেকে পাঠানো তথ্য একত্রিত করে তার পাঠানো প্রতিবেদনে বলা হয়েছে মনোনয়ন বাছাইয়ের পর ইউপি চেয়ারম্যান পদে একজন করে বৈধ প্রার্থী রয়েছে এমন ইউপির সংখ্যা ৩১টি। অর্থাৎ ৩১ জন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে চলেছেন।

প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আগামী ২৪ মার্চ, তাদের কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করলে, তাদের বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে- চেয়ারম্যান পদে সর্বমোট মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ১ হাজার ৭৫০ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে ১৯ মার্চ বাছাইয়ে বাতিল হয়েছেন ৭০ জন। অর্থাৎ বৈধ প্রার্থী রয়েছেন ১ হাজার ৬৮০জন।

প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ১ হাজার ৪৪ জন। এছাড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৩৫৪জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২১৭জন, জাতীয় পার্টির (লাঙ্গল) ৩১জন, জাতীয় পার্টির (বাইসাইকেল) ৬ জন,

জাতীয় সামজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) ৩ জন, বিকল্পধারা বাংলাদেশের ৩জন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির ৬ জন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির একজন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির একজন, জাকের পার্টির ১৩ জন ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের একজন প্রার্থী নির্বাচনে বৈধতা পেয়েছেন।

এদিকে, সংরক্ষিত সদস্য পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ৪ হাজার ৩০৮জন, বাছাইয়ে বাতিল হয়েছেন ৫৮ জন আর বৈধতা পেয়েছেন ৪ হাজার ২৫০জন। আর সাধারণ সদস্য পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ১৪ হাজার ৪৩১ জন প্রার্থী। বাছাইয়ে বাতিল হয়েছেন ২২৫জন। আর বৈধতা পেয়েছেন ১৪ হাজার ২০৬ জন প্রার্থী।

আগামী ১১ এপ্রিল প্রথম ধাপের ইউপিতে ভোটগ্রহণ করবে ইসি। ৩১টি ইউপিতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের ভোটগ্রহণ করার কথা রয়েছে। তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে এমন প্রার্থিতা বর্তমানে আপিলে যেতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তি শেষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৪ মার্চ। আর প্রতীক বরাদ্দ ২৫ মার্চ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *