নির্বাচনে বিএনপির না, কিন্তু যা চায় ইসি-বিস্তারিত জানুন

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল-বিএনপি। তবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলছে, নির্বাচনে সবাইকে চাই।

শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলীয় সিদ্ধান্তের কথা গণমাধ্যমকে জানান। ওইদিন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির ভার্চ্যুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গণমাধ্যমকে বলেন, গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাস দেখিয়ে চরম প্রতিকূল অবস্থাতেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিএনপি। কিন্তু সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোতে প্রমাণিত হয়েছে, এই কমিশন কোনো নির্বাচনই নিরপেক্ষ, অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের যোগ্য নয়। এই সরকার অনির্বাচিত একটি সরকার এবং সরকারের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করাই কমিশনের প্রধান কাজ।

বিএনপির এই ঘোষণার মধ্যে দেশের ইউপিগুলোতে ভোট শুরুর লক্ষ্যে প্রথম দফায় ৩৭১টি ইউপি নির্বাচনের তফসিল বুধবার (০৩ মার্চ) ঘোষণা করলো নির্বাচন কমিশন।

বিএনপির ইউপি নির্বাচন বর্জনের বিষয়টি ইসি সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকারের সামনে আনা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘নির্বাচন করার একটা প্রিন্সিপাল আছে আমাদের। সে অনুযায়ী আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যারা থাকেন, সবাইকে নিয়োগ করে থাকি। প্রয়োজনে বিজিবি নিয়োগ করে থাকি। যে বিষয়টি বলছেন, (বিএনপি না আসলে নির্বাচন এক তরফা হয়ে যাবে কি-না), নির্বাচন হবে আমাদের একবারেই ফ্রি। ১৮ মার্চ মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময়। সময় এখনো আছে। এখনই আমরা কিছু বলতে চাই না। আমরা যেটা বলতে চাই, আমারা সবাইকে নিয়ে, ইলেকশন কমিশনের যে অবস্থান সবাইকে নিয়ে ইলেকশন করতে চাই।

১১ এপ্রিল প্রথম দফায় দেশের ৩৭১টি ইউপিতে ভোটগ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন। এরমধ্যে ৩০টিতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে ভোটগ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *